গ্রেনাডা:ভিসার প্রয়োজনীয়তা

গ্রেনাডাএই দেশের ভিসার প্রয়োজনীয়তা জানুন। সর্বশেষ যাচাই:সর্বশেষ হালনাগাদ:

গ্রেনাডা ভিসার প্রয়োজনীয়তার মানচিত্র

গ্রেনাডা: ভিসার প্রয়োজনীয়তা

ভিসার প্রয়োজনীয়তা পরিবর্তিত হতে পারে। সর্বশেষ তথ্য সব সময় সরকারি অফিসিয়াল উৎস থেকে যাচাই করুন।

ভিসামুক্ত প্রবেশের প্রয়োজনীয়তা

  • যাত্রীকে অবশ্যই একটি বৈধ পাসপোর্ট বা ইমিগ্রেশন অফিসার কর্তৃক গৃহীত অন্য কোনো ভ্রমণ দলিল বহন করতে হবে যা তার পরিচয় ও নাগরিকত্ব প্রমাণ করে। নির্দিষ্ট আঞ্চলিক মুক্ত চলাচল ব্যবস্থা থেকে উপকৃত যাত্রীরা পরিকল্পিত অবস্থানের সময়সীমার জন্য বৈধ ছবিসহ জাতীয় পরিচয়পত্র বা ড্রাইভিং লাইসেন্সের মাধ্যমে তাদের পরিচয় ও নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে পারেন।
  • সাধারণ ভিসামুক্ত দর্শনার্থীদের পাসপোর্টের জন্য সকল যাত্রীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য একটি সাধারণ ন্যূনতম বৈধতার সময়কাল কেন্দ্রীয় সরকারি উৎসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। গ্রেনাডায় ২৪ ঘণ্টার কম সময় অবস্থানকারী ক্রুজ জাহাজের যাত্রীদের জন্য পাসপোর্টটি যাত্রীর দেশে ফেরত যাওয়ার তারিখ থেকে কমপক্ষে ছয় মাস বৈধ হতে হবে। পাসপোর্টে প্রয়োজনীয় খালি পৃষ্ঠার সংখ্যা এবং মেশিন-পাঠযোগ্য বা বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট বাধ্যতামূলক কিনা তা কেন্দ্রীয় সরকারি উৎসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
  • যাত্রীদের গ্রেনাডায় আগমনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অনলাইনে খোলা ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস ফর্ম পূরণ করতে হবে। ফর্মের জন্য ফ্লাইং তথ্য, যাত্রীদের পাসপোর্ট তথ্য, ভ্রমণ দলিলের জৈবিক তথ্য পৃষ্ঠার PNG বা JPEG ফরম্যাটে কপি এবং একটি বৈধ ইমেইল ঠিকানা প্রয়োজন। প্রক্রিয়া শেষে তৈরি ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস রসিদ মোবাইল ডিভাইসে সংরক্ষণ বা মুদ্রণ করে আগমনে কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করতে হবে।
  • যাত্রী শুধুমাত্র অনুমোদিত প্রবেশ পয়েন্ট দিয়ে দেশে প্রবেশ করতে পারেন এবং বিমানযোগে আসাদের ইমিগ্রেশন অফিসারের কাছে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হতে হবে। ইমিগ্রেশন অফিসার প্রয়োজন মনে করলে যাত্রীকে প্রবেশ ঘোষণা পূরণ ও স্বাক্ষর করতে, প্রশ্নের উত্তর দিতে বা স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে বলতে পারেন। দর্শনার্থী বা ট্রানজিট যাত্রীকে দেওয়া প্রবেশ অনুমতি নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে হতে পারে এবং অনুমতিধারীর কাছ থেকে পরিচয় নিশ্চিত করতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া যেতে পারে।
  • যাত্রীর নিজের এবং তার সাথে নির্ভরশীল ব্যক্তিদের ভরণপোষণের জন্য পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্য থাকতে হবে। কী দলিল দিয়ে আর্থিক সক্ষমতা প্রমাণ করতে হবে, ব্যাংক বিবরণী কত মাসের হতে হবে এবং প্রয়োজনীয় ন্যূনতম পরিমাণ কত তা কেন্দ্রীয় সরকারি উৎসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
  • অনুমোদিত অবস্থানের সময়কাল যাত্রীর অবস্থা এবং সীমান্তে প্রদত্ত দর্শনার্থী অনুমতির উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়। সরকারি নীতি নথিতে ১৪ দিন, ৩০ দিন, ৬০ দিন, ৯০ দিন এবং ছয় মাসের মতো বিভিন্ন দর্শন সময়কাল উল্লেখ থাকলেও সকল ভিসামুক্ত যাত্রীর জন্য একটি সাধারণ সর্বোচ্চ সময় নির্ধারণ করা হয়নি। অনুমোদিত সময়ের চেয়ে বেশি থাকতে বা কাজ, পড়াশোনা বা স্থায়ী বসবাসের উদ্দেশ্যে অবস্থান করতে ইচ্ছুকদের যথাযথ ভিসা ও অনুমতি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
  • ফেরত টিকিট, থাকার ব্যবস্থার দলিল এবং ভ্রমণ স্বাস্থ্য বীমা সকল ভিসামুক্ত যাত্রীর জন্য সাধারণ ও বাধ্যতামূলক প্রবেশ দলিল কিনা তা কেন্দ্রীয় সরকারি উৎসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। বীমার জন্য প্রযোজ্য ন্যূনতম কভারেজ পরিমাণও কেন্দ্রীয় সরকারি উৎসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।

আগমনে ভিসার প্রয়োজনীয়তা

  • আগমনে ভিসা পদ্ধতি সরাসরি প্রস্তুতি ছাড়া সীমান্তে আবেদন করা যায় এমন একটি ব্যবস্থা নয়। যাত্রীকে ভ্রমণের আগে গ্রেনাডার অনুমোদিত কূটনৈতিক মিশন বা কনস্যুলেটের মাধ্যমে গ্রেনাডা ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অফিস থেকে পূর্ব-অনুমোদন পত্র নিতে হবে। পূর্ব-অনুমোদন দেওয়া হলে গ্রেনাডায় আগমনে ভিসা ইস্যু করা হয়।
  • পূর্ব-অনুমোদন আবেদন ফর্ম নীল বা কালো কালি দিয়ে সম্পূর্ণ পূরণ করে স্বাক্ষর করতে হবে। পাসপোর্ট গ্রেনাডা থেকে পরিকল্পিত প্রস্থান তারিখ থেকে কমপক্ষে ছয় মাস বৈধ হতে হবে। পাসপোর্টের জৈবিক তথ্য পৃষ্ঠার রঙিন কপি, গ্রেনাডায় অবস্থানের প্রমাণ দলিল এবং গত তিন মাসের মধ্যে তোলা একটি পাসপোর্ট ছবি জমা দিতে হবে। ছবি আবেদন ফর্মে আঠালো করে লাগাতে হবে।
  • যে দেশে আবেদন করা হচ্ছে সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী এবং ফেরত আসার অনুমতির প্রয়োজন আছে এমন ব্যক্তিদের থেকে বসবাসকারী দেশে পুনঃপ্রবেশের অধিকার দেখানো দলিল চাওয়া হতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে আবেদনে বসবাসের কার্ডের মূল; ডাকযোগে আবেদনে কার্ডের সামনে ও পিছনের নোটারি প্রত্যয়িত কপি দাবি করা হতে পারে।
  • ওয়াশিংটনে গ্রেনাডা দূতাবাসের নির্দেশে ভ্রমণের কমপক্ষে ছয় সপ্তাহ আগে আবেদন করার সুপারিশ করা হয়েছে এবং প্রক্রিয়াকরণের সময় আবেদন পাওয়ার পর থেকে প্রায় দশ কার্যদিবস হিসাবে দেখানো হয়েছে। এই সময়কাল আবেদনকৃত মিশন অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে।
  • ওয়াশিংটন নির্দেশে পূর্ব-অনুমোদন পত্রের ফি ১০ মার্কিন ডলার। প্রত্যয়িত ব্যাংক চেক বা মানি অর্ডার গ্রহণযোগ্য; নগদ শুধুমাত্র ব্যক্তিগতভাবে লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য। পূর্ব-অনুমোদন পাঠানোর জন্য অতিরিক্ত ডাক বা আন্তর্জাতিক কুরিয়ার খরচ চাওয়া হতে পারে। গ্রেনাডায় আগমনে একক-প্রবেশ ভিসার ফি প্রতি ব্যক্তি ২০০ পূর্ব ক্যারিবিয়ান ডলার এবং বহু-প্রবেশ ভিসার ফি ৩৭৫ পূর্ব ক্যারিবিয়ান ডলার হিসাবে প্রকাশিত হয়েছে। ফি এবং পরিশোধ পদ্ধতি মিশন এবং বর্তমান হারের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে, তাই আবেদন করতে হবে এমন মিশন থেকে পুনরায় নিশ্চিত করতে হবে।
  • ভিসা শুধুমাত্র এতে উল্লিখিত সময়ের জন্য বৈধ। একটি সার্বজনীন বৈধতার সময়কাল বা সর্বোচ্চ অবস্থানের সময় কেন্দ্রীয় সরকারি উৎসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। ভিসাধারী গ্রেনাডা শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে পৃথক অনুমতি ছাড়া কাজ করতে পারবেন না।
  • সকল যাত্রীর মতো আগমনে ভিসা ব্যবহারকারীদেরও আগমনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অনলাইনে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস ফর্ম পূরণ করতে হবে। ফ্লাইং তথ্য, পাসপোর্ট, জৈবিক তথ্য পৃষ্ঠার PNG বা JPEG কপি এবং বৈধ ইমেইল ঠিকানা সিস্টেমে জমা দিতে হবে; তৈরি রসিদ আগমনে দেখানোর জন্য ডিজিটাল বা মুদ্রিত আকারে বহন করতে হবে।
  • পাসপোর্টে প্রয়োজনীয় খালি পৃষ্ঠার সংখ্যা, ছবির আকার ও পটভূমির রং, ভ্রমণ স্বাস্থ্য বীমা, বীমা কভারেজ পরিমাণ এবং ন্যূনতম আর্থিক সক্ষমতার পরিমাণ কেন্দ্রীয় সরকারি উৎসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।

কনস্যুলার ভিসা আবেদনের প্রয়োজনীয়তা

  • ভিসা আবেদন গ্রেনাডার অনুমোদিত দূতাবাস, হাই কমিশন বা কনস্যুলেটগুলির একটিতে করতে হবে। আবেদন পদ্ধতি, ফি, পরিশোধ পদ্ধতি এবং কিছু সহায়ক দলিল আবেদনকৃত কূটনৈতিক মিশন এবং আবেদনকারীর আইনি বসবাসের দেশ অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে।
  • আবেদন ফর্ম নীল বা কালো কালি দিয়ে, বড় হাতের অক্ষরে এবং সম্পূর্ণ পূরণ করে আবেদনকারী দ্বারা তারিখ উল্লেখ করে স্বাক্ষর করতে হবে। ফর্মে নাম ও পদবি, বৈবাহিক অবস্থা, জন্ম তারিখ ও স্থান, জন্মকালীন ও বর্তমান নাগরিকত্ব, লিঙ্গ, পাসপোর্ট নম্বর, ইস্যু করার স্থান ও তারিখ, পেশা, বাড়ির ঠিকানা, টেলিফোন তথ্য, পরিকল্পিত আগমন তারিখ, গ্রেনাডায় ঠিকানা ও যোগাযোগ ব্যক্তি, পরিকল্পিত অবস্থানের সময়কাল, পূর্ববর্তী গ্রেনাডা ভিসা আবেদন, ভ্রমণের সময় ব্যবহারযোগ্য আর্থিক উৎস, ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং সাথে ভ্রমণরত শিশুদের নাম, বয়স ও জন্মস্থান জিজ্ঞাসা করা হয়।
  • পাসপোর্ট গ্রেনাডা থেকে পরিকল্পিত প্রস্থান তারিখ থেকে কমপক্ষে ছয় মাস বৈধ হতে হবে এবং আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। পাসপোর্টের জৈবিক তথ্য পৃষ্ঠার একটি পরিষ্কার ও পঠনযোগ্য কপিও চাওয়া হতে পারে। পাসপোর্টে প্রয়োজনীয় খালি পৃষ্ঠার সংখ্যা এবং মেশিন-পাঠযোগ্য বা বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট বাধ্যতামূলক কিনা তা কেন্দ্রীয় সরকারি উৎসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
  • একই রকমের দুটি পাসপোর্ট ছবি জমা দিতে হবে। ছবিগুলি গত তিন মাসের মধ্যে তোলা হতে হবে এবং একটি ছবি ম্যাজিস্ট্রেট বা নোটারি দ্বারা প্রত্যয়িত হতে হবে। ছবির সঠিক আকার, পটভূমির রং, ফাইল ফরম্যাট এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য কেন্দ্রীয় সরকারি উৎসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
  • বেইজিংয়ে গ্রেনাডা দূতাবাসের প্রকাশিত চেকলিস্টে, থাকলে ফ্লাইট রুট ও হোটেল রিজার্ভেশন এবং গ্রেনাডায় হোস্টের কাছ থেকে আমন্ত্রণপত্র চাওয়া হয়েছে। ফ্লাইট ও হোটেল দলিলগুলি “রিজার্ভেশন করা থাকলে” জমা দিতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আমন্ত্রণপত্রের বাধ্যতামূলক বিষয়বস্তু, আমন্ত্রণকারীর পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের কপি, স্পন্সর দলিল এবং স্পন্সরের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ কেন্দ্রীয় সরকারি উৎসে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
  • যে দেশে আবেদন করা হচ্ছে সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী ব্যক্তিদের থেকে সে দেশে পুনঃপ্রবেশের অধিকার প্রমাণকারী বৈধ বসবাসের কার্ড, ভিসা বা পুনঃপ্রবেশ অনুমতি চাওয়া হতে পারে। ব্যক্তিগতভাবে আবেদনে দলিলের মূল, ডাকযোগে আবেদনে সামনে ও পিছনের নোটারি প্রত্যয়িত কপি দাবি করা হতে পারে।
  • আবেদনগুলি পরিকল্পিত যাত্রা তারিখের কমপক্ষে ছয় সপ্তাহ আগে করতে হবে। প্রকাশিত কূটনৈতিক মিশন নির্দেশাবলীতে মানক প্রক্রিয়াকরণের সময় সম্পূর্ণ আবেদন পাওয়ার পরে প্রায় দশ কার্যদিবস। অতিরিক্ত পর্যালোচনা বা গ্রেনাডায় কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হলে সময় বাড়তে পারে।
  • ভিসার ফি আবেদনকৃত মিশন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। বেইজিং দূতাবাসের প্রকাশিত হারে একক-প্রবেশ ভিসা ১০০ মার্কিন ডলার, বহু-প্রবেশ ভিসা ২৫০ মার্কিন ডলার; ব্যাংক ট্রান্সফার, অনলাইন সরকারি পেমেন্ট সিস্টেম এবং ব্যক্তিগতভাবে নগদ পরিশোধের বিকল্প উল্লেখ করা হয়েছে। ওয়াশিংটন দূতাবাসের নির্দেশে একক-প্রবেশ ভিসা ২০০ মার্কিন ডলার, বহু-প্রবেশ ভিসা ৩৭৫ মার্কিন ডলার; প্রত্যয়িত চেক, মানি অর্ডার, অনলাইন পেমেন্ট এবং ব্যক্তিগতভাবে নগদ পরিশোধ গ্রহণযোগ্য। লন্ডন হাই কমিশনের নির্দেশে একক-প্রবেশ ভিসার ফি ৭৮ ব্রিটিশ পাউন্ড। আবেদনকারীকে বর্তমান পরিমাণ এবং গ্রহণযোগ্য পরিশোধ পদ্ধতি সে মিশন থেকে নিশ্চিত করতে হবে।
  • ভিসা একক-প্রবেশ বা বহু-প্রবেশ হিসাবে ইস্যু করা যেতে পারে এবং শুধুমাত্র এতে উল্লিখিত সময়ের জন্য বৈধ। সকল আবেদনকারীর জন্য একটি সাধারণ ভিসা বৈধতার সময়কাল বা সর্বোচ্চ অবস্থানের সময় কেন্দ্রীয় সরকারি উৎসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। আবেদন ফর্মে পর্যটন সফর, ব্যবসা ও পড়াশোনার উদ্দেশ্য উল্লেখ রয়েছে। ভিসাধারী গ্রেনাডা শ্রম মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া দেশে কাজ করতে পারবেন না।
  • আবেদন ফর্মে ভ্রমণের সময় ব্যবহারযোগ্য আর্থিক সামর্থ্যের বিবরণ দিতে হবে। এছাড়াও প্রবেশ আইন যাত্রীর নিজের এবং সাথে নির্ভরশীল ব্যক্তিদের ভরণপোষণের জন্য পর্যাপ্ত সামর্থ্য থাকতে হবে। ব্যাংক বিবরণী কত মাসের হতে হবে, ন্যূনতম অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স এবং গ্রহণযোগ্য আর্থিক প্রমাণের ধরন কেন্দ্রীয় সরকারি উৎসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
  • অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য একটি সাধারণ জন্ম সনদ, পিতামাতার সম্মতি বা অভিভাবকত্ব দলিলের চেকলিস্ট প্রকাশ করা হয়নি। আবেদন ফর্মে শুধুমাত্র সাথে ভ্রমণরত শিশুদের নাম, বয়স ও জন্মস্থান জানাতে বলা হয়েছে। এই দলিলগুলির অনুবাদ, অ্যাপোস্টিল বা আইনি বৈধকরণের শর্তও কেন্দ্রীয় সরকারি উৎসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।
  • ভ্রমণ স্বাস্থ্য বীমা বাধ্যতামূলক কিনা এবং প্রযোজ্য ন্যূনতম কভারেজ পরিমাণ কেন্দ্রীয় সরকারি উৎসে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা সাক্ষাৎকার মানক কনস্যুলার আবেদনের সকলের জন্য বাধ্যতামূলক ধাপ হিসাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে প্রবেশ অনুমতি প্রাপ্ত ব্যক্তিদের থেকে সীমান্তে পরিচয় নিশ্চিত করতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া যেতে পারে এবং প্রয়োজন মনে করলে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা যেতে পারে।
  • সকল ভিসাধারীকে আগমনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অনলাইনে ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস ফর্ম পূরণ করতে হবে। ফ্লাইং তথ্য, যাত্রীদের পাসপোর্ট, জৈবিক তথ্য পৃষ্ঠার PNG বা JPEG কপি এবং বৈধ ইমেইল ঠিকানা প্রস্তুত করতে হবে। তৈরি ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস রসিদ মোবাইল ডিভাইসে সংরক্ষণ বা মুদ্রণ করে আগমনে কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করতে হবে।
জনসংখ্যা
১১৭,৩৬২(২০২৬ আনুমানিক)
সরকারি ভাষা
ইংরেজি
সরকারের ধরন
সংসদীয় সাংবিধানিক রাজতন্ত্র
মহাদেশ
উত্তর আমেরিকা
রাজধানী
সেন্ট জর্জেস
মুদ্রা
পূর্ব ক্যারাবিয়ান ডলার
আয়তন
৩৪৮ km²
ফোন কোড
+১৪৭৩

গ্রেনাডা: গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য

গ্রেনাডার রাজধানী সেন্ট জর্জেস একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও পর্যটন কেন্দ্র। মরিস বিশপ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দ্বীপটির প্রধান আগমনপথ হিসেবে কাজ করে। ক্যারিবীয় অঞ্চলের অন্যান্য দ্বীপ থেকে সরাসরি ফ্লাইট এখানে আসে।

গ্রেনাডা তার মশলা দ্বীপ নামে পরিচিত এবং জায়ফল, দারুচিনি ও লবঙ্গের জন্য বিখ্যাত। গ্র্যান্ড আনসে সৈকত ও মর্নে ট্রয়েস পিটনস জাতীয় উদ্যান দর্শনার্থীদের কাছে জনপ্রিয়। দ্বীপটিতে বেশ কয়েকটি জলপ্রপাত ও চকলেট কারখানা রয়েছে।

পর্যটকরা সাধারণত সেন্ট জর্জেস থেকে যাত্রা শুরু করে দ্বীপের দক্ষিণ ও উত্তর অংশ ভ্রমণ করেন। গ্রেনাডা থেকে বার্বাডোস বা ত্রিনিদাদ হয়ে আঞ্চলিক সংযোগ স্থাপন সম্ভব। দ্বীপের ভেতরে ট্যাক্সি ও ভাড়া গাড়ি চলাচলের প্রধান মাধ্যম।