পাসপোর্ট প্রতিবেদন

ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার দেশগুলোর পাসপোর্ট র‍্যাঙ্কিং ২০২৬

আমরা কীভাবে র‍্যাঙ্ক করি?

Passport Reports ভিসামুক্ত প্রবেশ, আগমনী ভিসা এবং eTA (ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি) প্রবেশাধিকার মিলিয়ে চলাচল স্কোর হিসাব করে। র‌্যাঙ্কিংয়ে আগে চলাচল স্কোর, তারপর ভিসামুক্ত প্রবেশ, এরপর eTA এবং শেষে আগমনী ভিসা বিবেচনা করা হয়; এসব মেট্রিক এক হলে পাসপোর্টগুলো একই র‌্যাঙ্ক ভাগ করে।

র‍্যাঙ্কিং দৃশ্য

ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার দেশ সম্পর্কে তথ্য

ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, এশিয়া এবং ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশে বিস্তৃত সাতান্নটি সদস্য রাষ্ট্রকে একত্র করে। সদস্য সংখ্যার ভিত্তিতে এটি জাতিসংঘের পর অন্যতম বৃহৎ আন্তঃসরকারি সংস্থা হিসেবে বিবেচিত। ১৯৬৯ সালের রাবাত সম্মেলনের পর সংস্থাটি গড়ে ওঠে এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও মানবিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করে। এই পৃষ্ঠা Passport Reports-এর স্কোরিং পদ্ধতি পরিবর্তন না করে ওই প্রাতিষ্ঠানিক গোষ্ঠীর ভেতরে জাতীয় পাসপোর্ট তুলনা করে।

ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার সদস্যপদ কোনো অভিন্ন সীমান্ত এলাকা, একক ভিসা নীতি বা যৌথ পাসপোর্ট ব্যবস্থা তৈরি করে না। প্রতিটি সদস্য রাষ্ট্র নিজস্ব পাসপোর্ট ইস্যু করে এবং নিজস্ব ভ্রমণ নিয়ম প্রয়োগ করে। তাই একই সংস্থার মধ্যে থাকা পাসপোর্টগুলোর বাস্তব চলাচল সক্ষমতা স্পষ্টভাবে ভিন্ন হতে পারে। লক্ষ্যভিত্তিক র‍্যাঙ্কিং এই পার্থক্যগুলোকে সহজে বোঝায় এবং বৃহত্তর কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটও ধরে রাখে।

ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার র‍্যাঙ্কিং দৃশ্য কেবল এই গোষ্ঠীর পাসপোর্টগুলো তুলনা করে, আর বৈশ্বিক দৃশ্য বিশ্বসূচকে তাদের অবস্থান দেখায়। সংখ্যাগুলো কেন্দ্রীয় Passport Reports ব্যবস্থা থেকে আসে এবং ভিসামুক্ত গন্তব্য, আগমনী ভিসা, eTA প্রবেশাধিকার ও ভিসা-প্রয়োজনীয় গন্তব্য অন্তর্ভুক্ত করে। সাইটের র‍্যাঙ্কিং ক্রম ও সমতা নিরসনের নিয়ম অপরিবর্তিত থাকে। কেন্দ্রীয় চলাচল তথ্য হালনাগাদ হলে এই পৃষ্ঠাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ হয়।