পাসপোর্ট প্রতিবেদন

ওপেক দেশগুলোর পাসপোর্ট র‍্যাঙ্কিং ২০২৬

আমরা কীভাবে র‍্যাঙ্ক করি?

Passport Reports ভিসামুক্ত প্রবেশ, আগমনী ভিসা এবং eTA (ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি) প্রবেশাধিকার মিলিয়ে চলাচল স্কোর হিসাব করে। র‌্যাঙ্কিংয়ে আগে চলাচল স্কোর, তারপর ভিসামুক্ত প্রবেশ, এরপর eTA এবং শেষে আগমনী ভিসা বিবেচনা করা হয়; এসব মেট্রিক এক হলে পাসপোর্টগুলো একই র‌্যাঙ্ক ভাগ করে।

র‍্যাঙ্কিং দৃশ্য

ওপেক দেশসমূহ সম্পর্কে তথ্য

ওপেক হলো পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর একটি আন্তঃসরকারি সংস্থা, যা ১৯৬০ সালে বাগদাদে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনেজুয়েলা প্রতিষ্ঠা করে। উৎপাদক, ভোক্তা এবং বৃহত্তর বৈশ্বিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে এমন বাজারে নীতিগত সমন্বয় ও সংলাপ জোরদার করাই এর লক্ষ্য ছিল। জাতীয় নীতি ও জ্বালানি পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সময়ে সময়ে এর সদস্যপদও পরিবর্তিত হয়েছে। এই পৃষ্ঠা ওপেক সদস্যপদকে পাসপোর্ট তুলনার একটি গোষ্ঠী হিসেবে ব্যবহার করে, কোনো যৌথ ভ্রমণ বা ভিসা এলাকা হিসেবে নয়।

ওপেক সম্মেলন, মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক, কারিগরি বিশ্লেষণ এবং তেল উৎপাদনকারী রাষ্ট্রগুলোর সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করে। এর প্রকাশ্য ভূমিকা তেলবাজারের স্থিতিশীলতা, দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি পরিকল্পনা এবং সরবরাহ, চাহিদা ও বিনিয়োগের ভারসাম্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। সংস্থাটি কোনো অভিন্ন পাসপোর্ট দেয় না এবং ভ্রমণকারীদের জন্য অভিন্ন প্রবেশ বিধিও তৈরি করে না। তাই এই গোষ্ঠীর প্রতিটি পাসপোর্ট জাতীয় নিয়ম ও আলাদা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার ভিত্তিতে নিজস্ব চলাচল প্রোফাইল ধরে রাখে।

ওপেক র‍্যাঙ্কিং দৃশ্য শুধু এই গোষ্ঠীর পাসপোর্টগুলোর তুলনা করে, আর বৈশ্বিক দৃশ্য একই পাসপোর্টগুলোকে বিশ্ব সূচকের মধ্যে রাখে। সংখ্যাগুলো কেন্দ্রীয় Passport Reports ব্যবস্থা থেকে আসে এবং ভিসামুক্ত গন্তব্য, আগমনী ভিসা, eTA প্রবেশাধিকার ও ভিসা-প্রয়োজনীয় গন্তব্য অন্তর্ভুক্ত করে। সাইটের সার্বিক র‍্যাঙ্কিং পদ্ধতি ও সমতা ভাঙার নিয়ম অপরিবর্তিত থাকে। কেন্দ্রীয় চলাচল তথ্য হালনাগাদ হলে এই পৃষ্ঠার মানও স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ হয়।