যুক্তরাজ্যের পাসপোর্ট র‍্যাঙ্কিং: ভিসামুক্ত দেশ ও ভিসার শর্ত

যুক্তরাজ্যএই দেশের পাসপোর্ট বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে 24 নম্বরে আছে।সর্বশেষ যাচাই:সর্বশেষ হালনাগাদ:
মবিলিটি স্কোর170

আমরা কীভাবে র‍্যাঙ্ক করি?

passportreports.com-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহায়তাপ্রাপ্ত র‍্যাঙ্কিং মডেল গতিশীলতা স্কোরের ভিত্তিতে পাসপোর্টের অবস্থান নির্ধারণ করে। এই স্কোরে ভিসা-মুক্ত গন্তব্য, আগমনের পর ভিসা পাওয়া যায় এমন গন্তব্য এবং ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির মাধ্যমে প্রবেশযোগ্য গন্তব্য একসঙ্গে মূল্যায়ন করা হয়। স্কোর সমান হলে প্রথমে ভিসা-মুক্ত গন্তব্যের সংখ্যা, এরপর ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির মাধ্যমে প্রবেশযোগ্য গন্তব্য এবং শেষে আগমনের পর ভিসা পাওয়া যায় এমন গন্তব্য বিবেচনা করা হয়। আমাদের পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অ্যালগরিদমটি দেখুন।

এই পাসপোর্ট তুলনা করুন

ভিসা প্রয়োজনীয়তার মানচিত্র

সময়ের সঙ্গে পাসপোর্ট গতিশীলতা

এই পাসপোর্টের বার্ষিক গতিশীলতা স্কোর ও বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ের ইতিহাস।

গতিশীলতার ইতিহাসের সারণি
বছরগতিশীলতা স্কোরবৈশ্বিক র‍্যাঙ্ক
202013110
202114820
202217311
202317516
202417422
202516924
202617024
জনসংখ্যা
৬৯,৯৩১,৫২৮(২০২৬ আনুমানিক)
সরকারি ভাষা
একক কোনো সরকারি ভাষা নেই; ইংরেজি বাস্তবে ব্যবহৃত; আঞ্চলিক সরকারি ভাষা: ওয়েলশ, স্কটিশ-গ্যেলিক, স্কটস, আইরিশ
সরকারের ধরন
সংসদীয় সাংবিধানিক রাজতন্ত্র
মহাদেশ
ইউরোপ
রাজধানী
লন্ডন
মুদ্রা
ব্রিটিশ পাউন্ড
আয়তন
২,৪২,৪৯৫ km²
ফোন কোড
+৪৪

যুক্তরাজ্য: অন্যান্য র‍্যাঙ্কিং

আতিথেয়তার র‍্যাঙ্কস্বাগতপূর্ণ দেশ
199 দেশের মধ্যে অবস্থান 104
গ্রুপের ভেতরের র‍্যাঙ্কিংইংরেজি
60 দেশের মধ্যে অবস্থান 4
সরকারের ধরন অনুযায়ী র‍্যাঙ্কিংসংসদীয় সাংবিধানিক রাজতন্ত্র
25 দেশের মধ্যে অবস্থান 8
ন্যাটো র‍্যাঙ্কিংন্যাটো দেশসমূহ
32 দেশের মধ্যে অবস্থান 25
সংস্থা সদস্য র‍্যাঙ্কিংবিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য দেশ
159 দেশের মধ্যে অবস্থান 33
OECD র‍্যাঙ্কিংOECD দেশসমূহ
38 দেশের মধ্যে অবস্থান 27
জি৭ র‍্যাঙ্কিংজি৭ দেশ
7 দেশের মধ্যে অবস্থান 5
জি২০ র‍্যাঙ্কিংজি২০ দেশ
19 দেশের মধ্যে অবস্থান 6
ওএসসিই র‍্যাঙ্কিংওএসসিই অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রসমূহ
57 দেশের মধ্যে অবস্থান 30
কমনওয়েলথ র‍্যাঙ্কিংকমনওয়েলথ দেশ
56 দেশের মধ্যে অবস্থান 5

গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে প্রবেশাধিকার

যুক্তরাষ্ট্রeTA

ভ্রমণের আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন।

কানাডাeTA

ভ্রমণের আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন।

শেনজেন এলাকাভিসামুক্ত

ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করা যায়।

অস্ট্রেলিয়াআগমনে

আগমনের পর ভিসা নেওয়া যায়।

যুক্তরাজ্য সম্পর্কে তথ্য

যুক্তরাজ্য উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের একটি দ্বীপরাষ্ট্র, যা গ্রেট ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ড নিয়ে গঠিত। এর চারপাশে আটলান্টিক মহাসাগর, উত্তর সাগর ও আইরিশ সাগর অবস্থিত। দেশটির ভূপ্রকৃতি বৈচিত্র্যময়, যেখানে পাহাড়, সমভূমি ও দীর্ঘ উপকূলরেখা দেখা যায়। জলবায়ু সাধারণত নাতিশীতোষ্ণ, সারা বছরই মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়।

দেশটির নগরজীবন প্রাণবন্ত, বিশেষ করে লন্ডন, ম্যানচেস্টার ও এডিনবরার মতো শহরগুলিতে। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড যেমন থিয়েটার, জাদুঘর ও সঙ্গীত অনুষ্ঠান সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। গ্রামীণ এলাকায় সবুজ মাঠ ও ঐতিহাসিক গ্রামগুলিতে শান্ত পরিবেশ বিরাজ করে। স্থানীয়রা চা-পানের সংস্কৃতি ও পাব-এ আড্ডা দিতে পছন্দ করে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব সুপ্রতিষ্ঠিত। কমনওয়েলথ ও বহু আন্তর্জাতিক সংস্থায় এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। দেশটি বিশ্ব বাণিজ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রেও একটি অন্যতম কেন্দ্র হিসাবে বিবেচিত। এর পাসপোর্ট ধারকরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সহজেই ভ্রমণ করতে পারেন।