সুইজারল্যান্ডের পাসপোর্ট র‍্যাঙ্কিং: ভিসামুক্ত দেশ ও ভিসার শর্ত

সুইজারল্যান্ডএই দেশের পাসপোর্ট বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে 9 নম্বরে আছে।সর্বশেষ যাচাই:সর্বশেষ হালনাগাদ:
মবিলিটি স্কোর173

আমরা কীভাবে র‍্যাঙ্ক করি?

passportreports.com-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহায়তাপ্রাপ্ত র‍্যাঙ্কিং মডেল গতিশীলতা স্কোরের ভিত্তিতে পাসপোর্টের অবস্থান নির্ধারণ করে। এই স্কোরে ভিসা-মুক্ত গন্তব্য, আগমনের পর ভিসা পাওয়া যায় এমন গন্তব্য এবং ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির মাধ্যমে প্রবেশযোগ্য গন্তব্য একসঙ্গে মূল্যায়ন করা হয়। স্কোর সমান হলে প্রথমে ভিসা-মুক্ত গন্তব্যের সংখ্যা, এরপর ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির মাধ্যমে প্রবেশযোগ্য গন্তব্য এবং শেষে আগমনের পর ভিসা পাওয়া যায় এমন গন্তব্য বিবেচনা করা হয়। আমাদের পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অ্যালগরিদমটি দেখুন।

এই পাসপোর্ট তুলনা করুন

ভিসা প্রয়োজনীয়তার মানচিত্র

সময়ের সঙ্গে পাসপোর্ট গতিশীলতা

এই পাসপোর্টের বার্ষিক গতিশীলতা স্কোর ও বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ের ইতিহাস।

গতিশীলতার ইতিহাসের সারণি
বছরগতিশীলতা স্কোরবৈশ্বিক র‍্যাঙ্ক
202013110
20211516
20221745
20231777
20241788
20251747
20261739
জনসংখ্যা
৯,০০৭,৭৯৮(২০২৬ আনুমানিক)
সরকারি ভাষা
জার্মান, ফরাসি, ইতালিয়, রোমান্স
সরকারের ধরন
ফেডারেল ডিরেক্টোরিয়াল প্রজাতন্ত্র
মহাদেশ
ইউরোপ
রাজধানী
বের্ন
মুদ্রা
সুইস ফ্রাঁ
আয়তন
৪১,২৯১ km²
ফোন কোড
+৪১

সুইজারল্যান্ড: অন্যান্য র‍্যাঙ্কিং

আতিথেয়তার র‍্যাঙ্কস্বাগতপূর্ণ দেশ
199 দেশের মধ্যে অবস্থান 94
গ্রুপের ভেতরের র‍্যাঙ্কিংফরাসি
29 দেশের মধ্যে অবস্থান 4
গ্রুপের ভেতরের র‍্যাঙ্কিংজার্মান
6 দেশের মধ্যে অবস্থান 4
গ্রুপের ভেতরের র‍্যাঙ্কিংইতালিয়
4 দেশের মধ্যে অবস্থান 2
সংস্থা সদস্য র‍্যাঙ্কিংবিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য দেশ
159 দেশের মধ্যে অবস্থান 16
OECD র‍্যাঙ্কিংOECD দেশসমূহ
38 দেশের মধ্যে অবস্থান 13
ওএসসিই র‍্যাঙ্কিংওএসসিই অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রসমূহ
57 দেশের মধ্যে অবস্থান 13

গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে প্রবেশাধিকার

যুক্তরাষ্ট্রeTA

ভ্রমণের আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন।

যুক্তরাজ্যeTA

ভ্রমণের আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন।

কানাডাeTA

ভ্রমণের আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন।

অস্ট্রেলিয়াআগমনে

আগমনের পর ভিসা নেওয়া যায়।

সুইজারল্যান্ড সম্পর্কে তথ্য

সুইজারল্যান্ড মধ্য ইউরোপের একটি পার্বত্য দেশ, যা আল্পস পর্বতমালার জন্য বিখ্যাত। দেশটির উত্তর অংশে জুরা পর্বতমালা এবং মধ্যবর্তী মালভূমি অবস্থিত। চারপাশে জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, অস্ট্রিয়া এবং লিশটেনস্টাইন সীমান্তবর্তী। বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মিশ্রণ এখানে একটি স্বতন্ত্র আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্য তৈরি করেছে।

সুইজারল্যান্ডের শহরগুলো যেমন জুরিখ, জেনেভা এবং বাজেল আধুনিক ও ঐতিহাসিক স্থাপত্যের সমন্বয়। দেশটির জনজীবন সাধারণত শান্ত ও সুশৃঙ্খল, যেখানে স্থানীয় বাজার ও ক্যাফে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পৃক্ততা এখানে লক্ষ্যণীয়, বিশেষ করে হাইকিং ও স্কিইং জনপ্রিয়। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে উচ্চমানের সেবা নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুইজারল্যান্ড তার নিরপেক্ষ অবস্থানের জন্য পরিচিত। দেশটি অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থার সদরদপ্তর ধারণ করে, যেমন জাতিসংঘের জেনেভা অফিস। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি একে অভিবাসীদের জন্য আকর্ষণীয় করে তুলেছে। পাসপোর্টের ক্ষেত্রেও সুইজারল্যান্ড সাধারণত বিশ্বের অনেক দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার প্রদান করে থাকে।