মিয়ানমারের পাসপোর্ট র‍্যাঙ্কিং: ভিসামুক্ত দেশ ও ভিসার শর্ত

মিয়ানমারএই দেশের পাসপোর্ট বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে 167 নম্বরে আছে।সর্বশেষ যাচাই:সর্বশেষ হালনাগাদ:
মবিলিটি স্কোর55

আমরা কীভাবে র‍্যাঙ্ক করি?

passportreports.com-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহায়তাপ্রাপ্ত র‍্যাঙ্কিং মডেল গতিশীলতা স্কোরের ভিত্তিতে পাসপোর্টের অবস্থান নির্ধারণ করে। এই স্কোরে ভিসা-মুক্ত গন্তব্য, আগমনের পর ভিসা পাওয়া যায় এমন গন্তব্য এবং ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির মাধ্যমে প্রবেশযোগ্য গন্তব্য একসঙ্গে মূল্যায়ন করা হয়। স্কোর সমান হলে প্রথমে ভিসা-মুক্ত গন্তব্যের সংখ্যা, এরপর ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির মাধ্যমে প্রবেশযোগ্য গন্তব্য এবং শেষে আগমনের পর ভিসা পাওয়া যায় এমন গন্তব্য বিবেচনা করা হয়। আমাদের পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অ্যালগরিদমটি দেখুন।

এই পাসপোর্ট তুলনা করুন

ভিসা প্রয়োজনীয়তার মানচিত্র

সময়ের সঙ্গে পাসপোর্ট গতিশীলতা

এই পাসপোর্টের বার্ষিক গতিশীলতা স্কোর ও বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ের ইতিহাস।

গতিশীলতার ইতিহাসের সারণি
বছরগতিশীলতা স্কোরবৈশ্বিক র‍্যাঙ্ক
202040167
202143176
202257164
202358164
202459157
202558157
202655167
জনসংখ্যা
৫৫,১৮৪,৮১৯(২০২৬ আনুমানিক)
সরকারি ভাষা
বর্মি
সরকারের ধরন
সামরিক শাসন
মহাদেশ
এশিয়া
রাজধানী
নেপিডো
মুদ্রা
মায়ানমার কিয়াত
আয়তন
৬,৭৬,৫৭৭ km²
ফোন কোড
+৯৫

মায়ানমার (বার্মা): অন্যান্য র‍্যাঙ্কিং

আতিথেয়তার র‍্যাঙ্কস্বাগতপূর্ণ দেশ
199 দেশের মধ্যে অবস্থান 133
সংস্থা সদস্য র‍্যাঙ্কিংবিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য দেশ
159 দেশের মধ্যে অবস্থান 151
আসিয়ান র‍্যাঙ্কিংআসিয়ান দেশসমূহ
11 দেশের মধ্যে অবস্থান 11
জি৭৭ র‍্যাঙ্কিংজি৭৭ দেশ
132 দেশের মধ্যে অবস্থান 112

গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে প্রবেশাধিকার

যুক্তরাষ্ট্রপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

যুক্তরাজ্যপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

কানাডাপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

শেনজেন এলাকাপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

মায়ানমার (বার্মা) সম্পর্কে তথ্য

মায়ানমার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি বিশাল দেশ। এর পশ্চিমে রয়েছে বঙ্গোপসাগর। উত্তর ও পূর্বে চীন, লাওস ও থাইল্যান্ড অবস্থিত। ভূপ্রকৃতি বৈচিত্র্যময়—পাহাড়, সমভূমি ও নদী বিস্তৃত।

দেশটির প্রধান শহর ইয়াঙ্গুন ও মাণ্ডালে। এখানে বৌদ্ধ সংস্কৃতি গভীরভাবে প্রোথিত। স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ধর্মীয় আচার ও বাজার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গ্রামীণ এলাকায় কৃষি প্রধান জীবিকা।

মায়ানমার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে ধীরে ধীরে সম্পর্ক গড়ে তুলছে। এটি আসিয়ানের সদস্য রাষ্ট্র। প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ রয়েছে। দেশটি বর্তমানে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।