এস্তোনিয়ার পাসপোর্ট র‍্যাঙ্কিং: ভিসামুক্ত দেশ ও ভিসার শর্ত

এস্তোনিয়াএই দেশের পাসপোর্ট বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে 21 নম্বরে আছে।সর্বশেষ যাচাই:সর্বশেষ হালনাগাদ:
মবিলিটি স্কোর171

আমরা কীভাবে র‍্যাঙ্ক করি?

passportreports.com-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহায়তাপ্রাপ্ত র‍্যাঙ্কিং মডেল গতিশীলতা স্কোরের ভিত্তিতে পাসপোর্টের অবস্থান নির্ধারণ করে। এই স্কোরে ভিসা-মুক্ত গন্তব্য, আগমনের পর ভিসা পাওয়া যায় এমন গন্তব্য এবং ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির মাধ্যমে প্রবেশযোগ্য গন্তব্য একসঙ্গে মূল্যায়ন করা হয়। স্কোর সমান হলে প্রথমে ভিসা-মুক্ত গন্তব্যের সংখ্যা, এরপর ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির মাধ্যমে প্রবেশযোগ্য গন্তব্য এবং শেষে আগমনের পর ভিসা পাওয়া যায় এমন গন্তব্য বিবেচনা করা হয়। আমাদের পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অ্যালগরিদমটি দেখুন।

এই পাসপোর্ট তুলনা করুন

ভিসা প্রয়োজনীয়তার মানচিত্র

সময়ের সঙ্গে পাসপোর্ট গতিশীলতা

এই পাসপোর্টের বার্ষিক গতিশীলতা স্কোর ও বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ের ইতিহাস।

গতিশীলতার ইতিহাসের সারণি
বছরগতিশীলতা স্কোরবৈশ্বিক র‍্যাঙ্ক
202012914
202114722
202217023
202317323
202417614
202517315
202617121
জনসংখ্যা
১,৩৩১,০৬২(২০২৬ আনুমানিক)
সরকারি ভাষা
এস্তোনীয়
সরকারের ধরন
সংসদীয় প্রজাতন্ত্র
মহাদেশ
ইউরোপ
রাজধানী
তালিন
মুদ্রা
ইউরো
আয়তন
৪৫,৩৩৫ km²
ফোন কোড
+৩৭২

এস্তোনিয়া: অন্যান্য র‍্যাঙ্কিং

আতিথেয়তার র‍্যাঙ্কস্বাগতপূর্ণ দেশ
199 দেশের মধ্যে অবস্থান 94
সরকারের ধরন অনুযায়ী র‍্যাঙ্কিংসংসদীয় প্রজাতন্ত্র
40 দেশের মধ্যে অবস্থান 15
মুদ্রা অনুযায়ী র‍্যাঙ্কিংইউরো
27 দেশের মধ্যে অবস্থান 19
ন্যাটো র‍্যাঙ্কিংন্যাটো দেশসমূহ
32 দেশের মধ্যে অবস্থান 23
সংস্থা সদস্য র‍্যাঙ্কিংবিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য দেশ
159 দেশের মধ্যে অবস্থান 31
OECD র‍্যাঙ্কিংOECD দেশসমূহ
38 দেশের মধ্যে অবস্থান 25
ওএসসিই র‍্যাঙ্কিংওএসসিই অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রসমূহ
57 দেশের মধ্যে অবস্থান 27

গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে প্রবেশাধিকার

যুক্তরাষ্ট্রeTA

ভ্রমণের আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন।

যুক্তরাজ্যeTA

ভ্রমণের আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন।

কানাডাeTA

ভ্রমণের আগে ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন।

অস্ট্রেলিয়াআগমনে

আগমনের পর ভিসা নেওয়া যায়।

এস্তোনিয়া সম্পর্কে তথ্য

এস্তোনিয়া উত্তর ইউরোপের বাল্টিক অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশ। এর উত্তর উপকূল বাল্টিক সাগর ও ফিনল্যান্ড উপসাগর দ্বারা সংলগ্ন। দেশটির ভূমি মূলত সমতল, অসংখ্য বন ও হ্রদে পরিপূর্ণ। এই অঞ্চলের জলবায়ু শীতল ও আর্দ্র, যা নর্ডিক প্রকৃতির স্মৃতি জাগায়।

তাল্লিন এস্তোনিয়ার রাজধানী ও প্রধান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, যেখানে মধ্যযুগীয় স্থাপত্য ও আধুনিক প্রযুক্তির সহাবস্থান দেখা যায়। এস্তোনীয় সমাজ ডিজিটাল উদ্ভাবনের জন্য পরিচিত, যেমন ই-রেসিডেন্সি ও ডিজিটাল ভোটিং ব্যবস্থা। দৈনন্দিন জীবনে প্রকৃতির নৈকট্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, বিশেষ করে সাউনা সংস্কৃতি ও বনে ভ্রমণের মাধ্যমে। শহরগুলোতে জীবনের গতি শান্ত ও সুসংহত, যা স্থানীয়দের মানসিক প্রশান্তি প্রদান করে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এস্তোনিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোর সদস্য হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। দেশটি নর্ডিক ও বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোর সাথে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা বজায় রাখে। এস্তোনিয়ার অর্থনীতি প্রযুক্তি ও ডিজিটাল পরিষেবার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান অগ্রাধিকার।