ইথিওপিয়ার পাসপোর্ট র‍্যাঙ্কিং: ভিসামুক্ত দেশ ও ভিসার শর্ত

ইথিওপিয়াএই দেশের পাসপোর্ট বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে 172 নম্বরে আছে।সর্বশেষ যাচাই:সর্বশেষ হালনাগাদ:
মবিলিটি স্কোর51

আমরা কীভাবে র‍্যাঙ্ক করি?

passportreports.com-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহায়তাপ্রাপ্ত র‍্যাঙ্কিং মডেল গতিশীলতা স্কোরের ভিত্তিতে পাসপোর্টের অবস্থান নির্ধারণ করে। এই স্কোরে ভিসা-মুক্ত গন্তব্য, আগমনের পর ভিসা পাওয়া যায় এমন গন্তব্য এবং ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির মাধ্যমে প্রবেশযোগ্য গন্তব্য একসঙ্গে মূল্যায়ন করা হয়। স্কোর সমান হলে প্রথমে ভিসা-মুক্ত গন্তব্যের সংখ্যা, এরপর ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির মাধ্যমে প্রবেশযোগ্য গন্তব্য এবং শেষে আগমনের পর ভিসা পাওয়া যায় এমন গন্তব্য বিবেচনা করা হয়। আমাদের পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অ্যালগরিদমটি দেখুন।

এই পাসপোর্ট তুলনা করুন

ভিসা প্রয়োজনীয়তার মানচিত্র

সময়ের সঙ্গে পাসপোর্ট গতিশীলতা

এই পাসপোর্টের বার্ষিক গতিশীলতা স্কোর ও বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ের ইতিহাস।

গতিশীলতার ইতিহাসের সারণি
বছরগতিশীলতা স্কোরবৈশ্বিক র‍্যাঙ্ক
202041164
202146168
202253172
202354172
202457163
202555161
202651172
জনসংখ্যা
১৩৮,৯০২,১৮৫(২০২৬ আনুমানিক)
সরকারি ভাষা
আমহারিক; federal কর্মভাষা: আফার, Oromo, সোমালি, তিগরিনিয়া
সরকারের ধরন
ফেডারেল সংসদীয় প্রজাতন্ত্র
মহাদেশ
আফ্রিকা
রাজধানী
আদ্দিস আবাবা
মুদ্রা
ইথিওপিয়ান বির
আয়তন
১১,০৪,৩০০ km²
ফোন কোড
+২৫১

ইথিওপিয়া: অন্যান্য র‍্যাঙ্কিং

আতিথেয়তার র‍্যাঙ্কস্বাগতপূর্ণ দেশ
199 দেশের মধ্যে অবস্থান 25
গ্রুপের ভেতরের র‍্যাঙ্কিংসোমালি
2 দেশের মধ্যে অবস্থান 1
গ্রুপের ভেতরের র‍্যাঙ্কিংতিগরিনিয়া
2 দেশের মধ্যে অবস্থান 1
সরকারের ধরন অনুযায়ী র‍্যাঙ্কিংফেডারেল সংসদীয় প্রজাতন্ত্র
8 দেশের মধ্যে অবস্থান 5
আফ্রিকান ইউনিয়ন র‍্যাঙ্কিংআফ্রিকান ইউনিয়নের দেশ
54 দেশের মধ্যে অবস্থান 49
ব্রিকস র‍্যাঙ্কিংব্রিকস দেশ
11 দেশের মধ্যে অবস্থান 10
জি৭৭ র‍্যাঙ্কিংজি৭৭ দেশ
132 দেশের মধ্যে অবস্থান 118

গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে প্রবেশাধিকার

যুক্তরাষ্ট্রপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

যুক্তরাজ্যপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

কানাডাপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

শেনজেন এলাকাপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

ইথিওপিয়া সম্পর্কে তথ্য

ইথিওপিয়া পূর্ব আফ্রিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ, যা 'আফ্রিকার ছাদ' নামে পরিচিত। দেশটি উচ্চ মালভূমি ও গভীর উপত্যকা দ্বারা চিহ্নিত। এর ভৌগোলিক বৈচিত্র্য জলবায়ু ও জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ। দেশটি লোহিত সাগরের নিকটবর্তী হওয়ায় কৌশলগত অবস্থানে রয়েছে।

আদিস আবাবা দেশটির প্রাণকেন্দ্র, যেখানে আধুনিকতা ও ঐতিহ্য মিশে আছে। শহরের রাস্তায় কফি অনুষ্ঠান একটি সাধারণ দৃশ্য। গ্রামীণ এলাকায় কৃষি প্রধান জীবিকা, বিশেষ করে কফি ও শস্য চাষ। বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক উৎসব সারাবছর ধরে চলে।

আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তর থাকায় ইথিওপিয়া আঞ্চলিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশটি প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখে। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশটি আন্তর্জাতিক সহায়তা পায়। ইতিহাস ও সংস্কৃতির কারণে ইথিওপিয়া আফ্রিকায় একটি স্বতন্ত্র পরিচয় ধারণ করে।