লাইবেরিয়ার পাসপোর্ট র‍্যাঙ্কিং: ভিসামুক্ত দেশ ও ভিসার শর্ত

লাইবেরিয়াএই দেশের পাসপোর্ট বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে 161 নম্বরে আছে।সর্বশেষ যাচাই:সর্বশেষ হালনাগাদ:
মবিলিটি স্কোর57

আমরা কীভাবে র‍্যাঙ্ক করি?

passportreports.com-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহায়তাপ্রাপ্ত র‍্যাঙ্কিং মডেল গতিশীলতা স্কোরের ভিত্তিতে পাসপোর্টের অবস্থান নির্ধারণ করে। এই স্কোরে ভিসা-মুক্ত গন্তব্য, আগমনের পর ভিসা পাওয়া যায় এমন গন্তব্য এবং ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির মাধ্যমে প্রবেশযোগ্য গন্তব্য একসঙ্গে মূল্যায়ন করা হয়। স্কোর সমান হলে প্রথমে ভিসা-মুক্ত গন্তব্যের সংখ্যা, এরপর ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির মাধ্যমে প্রবেশযোগ্য গন্তব্য এবং শেষে আগমনের পর ভিসা পাওয়া যায় এমন গন্তব্য বিবেচনা করা হয়। আমাদের পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অ্যালগরিদমটি দেখুন।

এই পাসপোর্ট তুলনা করুন

ভিসা প্রয়োজনীয়তার মানচিত্র

সময়ের সঙ্গে পাসপোর্ট গতিশীলতা

এই পাসপোর্টের বার্ষিক গতিশীলতা স্কোর ও বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ের ইতিহাস।

গতিশীলতার ইতিহাসের সারণি
বছরগতিশীলতা স্কোরবৈশ্বিক র‍্যাঙ্ক
202047147
202151154
202260158
202360160
202458158
202558155
202657161
জনসংখ্যা
৫,৮৫৩,৯৪৯(২০২৬ আনুমানিক)
সরকারি ভাষা
ইংরেজি
সরকারের ধরন
রাষ্ট্রপতি প্রজাতন্ত্র
মহাদেশ
আফ্রিকা
রাজধানী
মনরোভিয়া
মুদ্রা
লিবেরিয়ান ডলার
আয়তন
১,১১,৩৬৯ km²
ফোন কোড
+২৩১

লাইবেরিয়া: অন্যান্য র‍্যাঙ্কিং

আতিথেয়তার র‍্যাঙ্কস্বাগতপূর্ণ দেশ
199 দেশের মধ্যে অবস্থান 135
গ্রুপের ভেতরের র‍্যাঙ্কিংইংরেজি
60 দেশের মধ্যে অবস্থান 53
সরকারের ধরন অনুযায়ী র‍্যাঙ্কিংরাষ্ট্রপতি প্রজাতন্ত্র
57 দেশের মধ্যে অবস্থান 54
মুদ্রা অনুযায়ী র‍্যাঙ্কিংমার্কিন ডলার
10 দেশের মধ্যে অবস্থান 10
সংস্থা সদস্য র‍্যাঙ্কিংবিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য দেশ
159 দেশের মধ্যে অবস্থান 147
আফ্রিকান ইউনিয়ন র‍্যাঙ্কিংআফ্রিকান ইউনিয়নের দেশ
54 দেশের মধ্যে অবস্থান 43
জি৭৭ র‍্যাঙ্কিংজি৭৭ দেশ
132 দেশের মধ্যে অবস্থান 108

গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে প্রবেশাধিকার

যুক্তরাষ্ট্রপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

যুক্তরাজ্যপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

কানাডাপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

শেনজেন এলাকাপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

লাইবেরিয়া সম্পর্কে তথ্য

লাইবেরিয়া পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ, যার দক্ষিণে আটলান্টিক মহাসাগর এবং চারপাশে সিয়েরা লিওন, গিনি ও কোত দিভোয়ার অবস্থিত। দেশটির ভূমি মূলত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বনভূমি ও সাভানা দ্বারা আচ্ছাদিত। লাইবেরিয়ার উপকূলীয় অঞ্চল ম্যানগ্রোভ ও বালিয়াড়ি সমৃদ্ধ। উনিশ শতকে মুক্তিপ্রাপ্ত মার্কিন দাসদের উপনিবেশ হিসেবে এই দেশটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

সাংস্কৃতিকভাবে লাইবেরিয়ায় দেশীয় আফ্রিকান ঐতিহ্য ও আমেরিকান প্রভাবের মিশ্রণ দেখা যায়। রাজধানী মনরোভিয়া একটি প্রাণবন্ত বন্দরনগরী, যেখানে বাণিজ্য ও প্রশাসন কেন্দ্রীভূত। অধিবাসীদের প্রধান জীবিকা কৃষি, খনিজ উত্তোলন ও ছোটখাটো ব্যবসা। সামাজিক জীবনে পরিবার ও সম্প্রদায়ের বন্ধন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

লাইবেরিয়া দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের পর পুনর্গঠনের পথে রয়েছে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় ভূমিকা রাখছে। দেশটি ঐতিহাসিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে। পশ্চিম আফ্রিকীয় দেশগুলোর অর্থনৈতিক সম্প্রদায় (ইকোয়াস) এর সক্রিয় সদস্য হিসেবে লাইবেরিয়া কাজ করে। উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় দেশটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল।