সার্বিয়ার পাসপোর্ট র‍্যাঙ্কিং: ভিসামুক্ত দেশ ও ভিসার শর্ত

সার্বিয়াএই দেশের পাসপোর্ট বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে 62 নম্বরে আছে।সর্বশেষ যাচাই:সর্বশেষ হালনাগাদ:
মবিলিটি স্কোর133

আমরা কীভাবে র‍্যাঙ্ক করি?

passportreports.com-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহায়তাপ্রাপ্ত র‍্যাঙ্কিং মডেল গতিশীলতা স্কোরের ভিত্তিতে পাসপোর্টের অবস্থান নির্ধারণ করে। এই স্কোরে ভিসা-মুক্ত গন্তব্য, আগমনের পর ভিসা পাওয়া যায় এমন গন্তব্য এবং ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির মাধ্যমে প্রবেশযোগ্য গন্তব্য একসঙ্গে মূল্যায়ন করা হয়। স্কোর সমান হলে প্রথমে ভিসা-মুক্ত গন্তব্যের সংখ্যা, এরপর ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির মাধ্যমে প্রবেশযোগ্য গন্তব্য এবং শেষে আগমনের পর ভিসা পাওয়া যায় এমন গন্তব্য বিবেচনা করা হয়। আমাদের পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অ্যালগরিদমটি দেখুন।

এই পাসপোর্ট তুলনা করুন

ভিসা প্রয়োজনীয়তার মানচিত্র

সময়ের সঙ্গে পাসপোর্ট গতিশীলতা

এই পাসপোর্টের বার্ষিক গতিশীলতা স্কোর ও বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ের ইতিহাস।

গতিশীলতার ইতিহাসের সারণি
বছরগতিশীলতা স্কোরবৈশ্বিক র‍্যাঙ্ক
20207963
202111455
202213756
202313762
202413858
202513458
202613362
জনসংখ্যা
৬,৬৪১,৯৬৪(২০২৬ আনুমানিক)
সরকারি ভাষা
সার্বীয়; আঞ্চলিক সরকারি ভাষা: হাঙ্গেরীয়, স্লোভাক, রোমানীয়, Ruthenian, ক্রোয়েশীয়
সরকারের ধরন
সংসদীয় প্রজাতন্ত্র
মহাদেশ
ইউরোপ
রাজধানী
বেলগ্রেড
মুদ্রা
সারবিয়ান দিনার
আয়তন
৮৮,৪৯৯ km²
ফোন কোড
+৩৮১

সার্বিয়া: অন্যান্য র‍্যাঙ্কিং

আতিথেয়তার র‍্যাঙ্কস্বাগতপূর্ণ দেশ
199 দেশের মধ্যে অবস্থান 96
গ্রুপের ভেতরের র‍্যাঙ্কিংসার্বীয়
3 দেশের মধ্যে অবস্থান 1
সরকারের ধরন অনুযায়ী র‍্যাঙ্কিংসংসদীয় প্রজাতন্ত্র
40 দেশের মধ্যে অবস্থান 23
ওএসসিই র‍্যাঙ্কিংওএসসিই অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রসমূহ
57 দেশের মধ্যে অবস্থান 40

গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে প্রবেশাধিকার

যুক্তরাষ্ট্রপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

যুক্তরাজ্যপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

কানাডাপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

শেনজেন এলাকাভিসামুক্ত

ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করা যায়।

সার্বিয়া সম্পর্কে তথ্য

সার্বিয়া দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বলকান অঞ্চলে অবস্থিত একটি স্থলবেষ্টিত দেশ। এর উত্তরে প্যানোনীয় সমভূমি এবং দক্ষিণে পাহাড়ি এলাকা বিস্তৃত। দেশটির মধ্য দিয়ে দানিউব নদী প্রবাহিত হয়েছে, যা ইউরোপের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ। সার্বিয়ার ভৌগোলিক অবস্থান এটিকে মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের সংযোগস্থলে পরিণত করেছে।

রাজধানী বেলগ্রেড দেশটির প্রাণকেন্দ্র, যেখানে নদীর তীরবর্তী ক্যাফে ও রাত্রিজীবন জনপ্রিয়। সার্বিয়ার নাগরিকরা সাধারণত বন্ধুবান্ধব ও পরিবারের সাথে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। দেশটির সংস্কৃতিতে স্লাভীয় ঐতিহ্য, অর্থোডক্স খ্রিস্টান ধর্ম ও অটোমান প্রভাবের মিশ্রণ দেখা যায়। স্থানীয় বাজারগুলোতে তাজা ফলমূল, পনির এবং ঐতিহ্যবাহী রাকিয়া পানীয় পাওয়া যায়।

সার্বিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য না হলেও এর সাথে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক গভীর। দেশটি আঞ্চলিক সহযোগিতা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বলকান দেশগুলোর সাথে কাজ করে। সার্বিয়ার পাসপোর্ট ধারকরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের সুযোগ পান। দেশটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কে নিরপেক্ষ অবস্থান ও বহুমুখী কূটনীতির জন্য পরিচিত।