ফিলিপাইনের পাসপোর্ট র‍্যাঙ্কিং: ভিসামুক্ত দেশ ও ভিসার শর্ত

ফিলিপাইনএই দেশের পাসপোর্ট বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ে 116 নম্বরে আছে।সর্বশেষ যাচাই:সর্বশেষ হালনাগাদ:
মবিলিটি স্কোর78

আমরা কীভাবে র‍্যাঙ্ক করি?

passportreports.com-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-সহায়তাপ্রাপ্ত র‍্যাঙ্কিং মডেল গতিশীলতা স্কোরের ভিত্তিতে পাসপোর্টের অবস্থান নির্ধারণ করে। এই স্কোরে ভিসা-মুক্ত গন্তব্য, আগমনের পর ভিসা পাওয়া যায় এমন গন্তব্য এবং ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির মাধ্যমে প্রবেশযোগ্য গন্তব্য একসঙ্গে মূল্যায়ন করা হয়। স্কোর সমান হলে প্রথমে ভিসা-মুক্ত গন্তব্যের সংখ্যা, এরপর ইলেকট্রনিক ভ্রমণ অনুমতির মাধ্যমে প্রবেশযোগ্য গন্তব্য এবং শেষে আগমনের পর ভিসা পাওয়া যায় এমন গন্তব্য বিবেচনা করা হয়। আমাদের পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অ্যালগরিদমটি দেখুন।

এই পাসপোর্ট তুলনা করুন

ভিসা প্রয়োজনীয়তার মানচিত্র

সময়ের সঙ্গে পাসপোর্ট গতিশীলতা

এই পাসপোর্টের বার্ষিক গতিশীলতা স্কোর ও বৈশ্বিক র‍্যাঙ্কিংয়ের ইতিহাস।

গতিশীলতার ইতিহাসের সারণি
বছরগতিশীলতা স্কোরবৈশ্বিক র‍্যাঙ্ক
202052126
202158135
202277116
202380115
202479114
202577113
202678116
জনসংখ্যা
১১৭,৭২৪,৪৭১(২০২৬ আনুমানিক)
সরকারি ভাষা
ফিলিপিনো, ইংরেজি; আঞ্চলিক সরকারি ভাষা: আঞ্চলিক ভাষা
সরকারের ধরন
রাষ্ট্রপতি প্রজাতন্ত্র
মহাদেশ
এশিয়া
রাজধানী
ম্যানিলা
মুদ্রা
ফিলিপাইন পেসো
আয়তন
৩,৪৩,৪৪৮ km²
ফোন কোড
+৬৩

ফিলিপাইন: অন্যান্য র‍্যাঙ্কিং

আতিথেয়তার র‍্যাঙ্কস্বাগতপূর্ণ দেশ
199 দেশের মধ্যে অবস্থান 46
গ্রুপের ভেতরের র‍্যাঙ্কিংইংরেজি
60 দেশের মধ্যে অবস্থান 41
সরকারের ধরন অনুযায়ী র‍্যাঙ্কিংরাষ্ট্রপতি প্রজাতন্ত্র
57 দেশের মধ্যে অবস্থান 27
সংস্থা সদস্য র‍্যাঙ্কিংবিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য দেশ
159 দেশের মধ্যে অবস্থান 108
এপেক র‍্যাঙ্কিংএপেক সদস্য অর্থনীতি
21 দেশের মধ্যে অবস্থান 20
আসিয়ান র‍্যাঙ্কিংআসিয়ান দেশসমূহ
11 দেশের মধ্যে অবস্থান 7
জি৭৭ র‍্যাঙ্কিংজি৭৭ দেশ
132 দেশের মধ্যে অবস্থান 64

গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে প্রবেশাধিকার

যুক্তরাষ্ট্রপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

যুক্তরাজ্যপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

কানাডাপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

শেনজেন এলাকাপ্রয়োজন

ভ্রমণের আগে বৈধ ভিসা নেওয়া প্রয়োজন।

ফিলিপাইন সম্পর্কে তথ্য

ফিলিপাইন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপপুঞ্জ রাষ্ট্র, যা প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত। দেশটি সাত হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত, যার মধ্যে লুজন, ভিসায়াস এবং মিন্দানাও প্রধান অঞ্চল। এই দ্বীপগুলোর মধ্যে বিস্তৃত সাগরপথ ও সমুদ্রসৈকত এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এখানে গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ু বিরাজ করে, যা সারা বছর উষ্ণ থাকে।

ফিলিপাইনের শহরগুলোতে ব্যস্ত রাস্তা ও রঙিন জিপনিগুলো দৈনন্দিন জীবনের অংশ। স্থানীয় বাজারগুলোতে তাজা ফলমূল ও সামুদ্রিক খাবারের ছড়াছড়ি দেখা যায়। লোকজন সাধারণত বন্ধুবৎসল ও আতিথেয়তাপরায়ণ, যা সামাজিক মেলামেশায় ফুটে ওঠে। ধর্মীয় উৎসব ও পারিবারিক সমাবেশ এখানকার সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ দিক।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিলিপাইন তার কূটনৈতিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য পরিচিত। দেশটি বিভিন্ন আঞ্চলিক জোটের সক্রিয় সদস্য এবং বিশ্ববাণিজ্যে অংশগ্রহণ করে। প্রবাসী ফিলিপিনোরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কাজ করে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফিলিপাইন পাসপোর্ট ধারকরা বিশ্বের অনেক দেশে ভ্রমণ করতে পারেন, যা দেশের আন্তর্জাতিক সংযোগকে প্রতিফলিত করে।